এর মধ্যে একটি বৃহস্পতিবার ও অন্যটি গতকাল চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসে। জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি আনতে ৪ এপ্রিল আরো একটি এলএনজিবাহী কার্গো দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বন্দরের তথ্যমতে, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ নামের জাহাজটি বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়ায় নোঙর করে। অপরদিকে ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা ৬১ হাজার টন এলএনজিবাহী ‘নিউ ব্রেভ’ নামের জাহাজটি গতকাল বন্দরের বহির্নোঙরে আসে।
জাহাজ দুটির স্থানীয় এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের সিনিয়র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. নূরুল আলম বলেন, ‘নির্ধারিত সময়েই জাহাজ দুটি দেশে পৌঁছেছে। দ্রুতই এসব এলএনজি খালাস করা সম্ভব হবে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরেকটি জাহাজ আগামী সপ্তাহের শেষদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, চলতি মার্চে এলএনজিবাহী মোট নয়টি কার্গো দেশে আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত পৌঁছেছে সাতটি। বাকি দুটি এখনো কাতারের রাস লাফান বন্দরে আটকে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলএনজিবাহী কার্গোগুলো পৌঁছানো ও খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা সহজ হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে দেশে মোট ২৫ লাখ ৮৬ হাজার টন এলএনজি আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ৬৪ শতাংশ কাতার ও ১৭ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা হয়। বাকিটা বিভিন্ন উৎস থেকে আমদানি করা হয়।